কয়েকদিন আগের ঘটনা।
দুপুরবেলা বের হয়েছি বাসা থেকে, অফিসে যাবো। ২/৩ জন রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করার পর একজন যেতে রাজী হল, তবে এই শর্তে যে সে অফিস এর গলিতে ঢুকবে না; মেইন রোড এ নামতে হবে। আমার হাতে সময় কম, রাজী হলাম। যাওয়ার পথে জিজ্ঞেস করলাম কেন উনি ভিতরে ঢুকতে রাজী না। প্রথমে বলতে না চাইলেও পরে বললেন কারনটা।
সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ আর গ্রামীনফোন পাশাপাশি। উনি সাহাবুদ্দিন এ ওয়ার্ডবয় এর কাজ করেন। আগের দিন তার নাইট ডিউটি ছিল, আজকে বন্ধ। সকালে বাসায় গিয়ে কয়েকঘন্টা ঘুমিয়ে আবার রিকশা নিয়ে বের হয়েছেন দুপুরে, কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের আশায়; ছেলে-মেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে আর একটু স্বচ্ছল থাকার আশায়! কিন্তু, যদি মেডিকেল কলেজের কারো সঙ্গে দেখা হয়ে যায়... এই দ্বিধায় তিনি অফিস এর গলিতে ঢুকতে চান নি।
শুনে ভাল লাগলো, একটা শ্রদ্ধাবোধ জন্মালো।
ভদ্রলোকের নামটা জিজ্ঞেস করেছিলাম কিনা মনে পড়ছে না বা জিজ্ঞেস করলেও এখন খেয়াল নেই। জীবন সংগ্রামে টিকে থাকার, আর একটু এগিয়ে যাওয়ার নিরন্তর এই চেষ্টাটা দেখে খুব ভালো লেগেছে। এবং আমি নিজে সহ আমার মত আরো অনেকে যে চরম অলস আর মোটেই পরিশ্রমী না, সেটা আর একবার উপলব্ধি করলাম সেদিন!
Wednesday, November 4, 2009
Tuesday, October 6, 2009
হাজার বছরের প্রেমের কবিতা
বই এর নাম হাজার বছরের প্রেমের কবিতা। বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন দেশের কবিতার একটা ছোট আকারের সঙ্কলন। গতকাল নীলখেতে আর একটা বই কেনার সময় চোখে পড়ল, কৌতুহল হওয়ায় কিনলাম। আজকে পড়ার চেষ্টা করতেছিলাম। অনেক কিছুই বুঝতে পারতেছিলাম না। আবার বুঝি বা না বুঝি, কিছু কিছু কবিতা/লাইন ভাল লাগছিল। সেরকম পছন্দের, ভাল লাগার কিছু লাইন ভাবলাম লিখে রাখি আর শেয়ার করি।।
১.
প্রেম, তোর কে করেছে এ নামকরণ
বল্ বল্ কারে তবে কহিব 'মরণ' !
--- জাপানী; কবি অজ্ঞাত।
২.
আসে তো আসুক রাতি, আসুক বা দিবা,
যায় যদি যাক নিরবধি।
তাহাদের যাতায়াতে আসে যায় কিবা
প্রিয় মোর নাহি আসে যদি।
--- সংস্কৃত, কবি অজ্ঞাত।
৩.
তোমার মুখের আদল পায়নি চাঁদ,
তাই তো বিধাতা গড়বার বাসনায়
মন্ডলী-চাঁদ টুকরো টুকরো করে
যুগযুগান্ত ধরে।
--- সংস্কৃত; রাজহস্তী।
৪.
সব প্রেমে বুঝি বঞ্চনা আছে, - তা না হলে কেন বিরহ আসে?
তা না হলে কেন বিরহ সহিয়া বেঁচে থাকে লোকে
কিসের আশে?
---সংস্কৃত; রাম।
৫.
বিচ্ছেদ নিশ্চিত যদি, তবে
একটু দাঁড়াও আমি দেখি মুখখানি...
--- জুদা হা-লেভিঃ বিদায়; ১১০০ খ্রিষ্টাব্দের হিব্রু জাতীয় মহা কবি।
৬.
ভুলে থাকার চেষ্টা করেছি তবু
এক মুহুর্তে ভুলতে পারি না তাকে।
ঘর ছেড়ে আমি দেখেছি রাস্তা নেই,
জানি না কী ভাবে কোথায় আজ সে থাকে।
-
দেখি, কালো ছায়া গোধুলিকে ঘিরে ধরে;
বিষাদ, বিষাদ, বিষাদে দৃষ্টি ভরে।
--- পাই চু-য়িঃ দুরের মানুষকে; চাইনিজ কবি।
৭.
আলকিত জানালার ধারে
কে বসে একাকী?
ছায়া আর আমি, শুধু আমরা দুজনে।
জ্বলে-জ্বলে দীপ নিভে যায়; অন্ধকার!
ছায়াও ছেড়ে যায় যে আমাকে।
হায় রে!
আমি হতভাগিনী!
--- লি ছিং-চাওঃ একাকী
৮.
ক.
স্রোতের জলে লেখার চেয়ে
একটামাত্র আছে বাতুলতা,-
সেটা কেবল তারি কথাই ভাবা,-
ভাবে না যে জন্মে আমার কথা।
খ.
কী আছে এমন প্রেয়সী, তোমার
প্রণয়ের দিব কী প্রতিদান।
প্রাণের মূল্য কী আছে? নহিলে
হাসিমুখে, সখি, দিতেম প্রাণ।
--- জাপানী; কবি অজ্ঞাত।
৯.
তোমার ছবির ধ্যানে, প্রিয়,
দৃষ্টি আমার পলক-হারা।
তোমার ঘরে যাওয়ার যে-পথ
পা চলে না সে-পথ ছাড়া।
হায়, দুনিয়ায় সবার চোখে
নিদ্রা নামে দিব্য সুখে,
আমার চোখেই নেই কি গো ঘুম,
দগ্ধ হলো নয়ন-তারা
--- হাফিজঃ রুবাইয়াৎ; ফারসী বিখ্যাত কবি।
---------------------
বহুত হইছে; হাত ব্যথা করতেছে! :P
১.
প্রেম, তোর কে করেছে এ নামকরণ
বল্ বল্ কারে তবে কহিব 'মরণ' !
--- জাপানী; কবি অজ্ঞাত।
২.
আসে তো আসুক রাতি, আসুক বা দিবা,
যায় যদি যাক নিরবধি।
তাহাদের যাতায়াতে আসে যায় কিবা
প্রিয় মোর নাহি আসে যদি।
--- সংস্কৃত, কবি অজ্ঞাত।
৩.
তোমার মুখের আদল পায়নি চাঁদ,
তাই তো বিধাতা গড়বার বাসনায়
মন্ডলী-চাঁদ টুকরো টুকরো করে
যুগযুগান্ত ধরে।
--- সংস্কৃত; রাজহস্তী।
৪.
সব প্রেমে বুঝি বঞ্চনা আছে, - তা না হলে কেন বিরহ আসে?
তা না হলে কেন বিরহ সহিয়া বেঁচে থাকে লোকে
কিসের আশে?
---সংস্কৃত; রাম।
৫.
বিচ্ছেদ নিশ্চিত যদি, তবে
একটু দাঁড়াও আমি দেখি মুখখানি...
--- জুদা হা-লেভিঃ বিদায়; ১১০০ খ্রিষ্টাব্দের হিব্রু জাতীয় মহা কবি।
৬.
ভুলে থাকার চেষ্টা করেছি তবু
এক মুহুর্তে ভুলতে পারি না তাকে।
ঘর ছেড়ে আমি দেখেছি রাস্তা নেই,
জানি না কী ভাবে কোথায় আজ সে থাকে।
-
দেখি, কালো ছায়া গোধুলিকে ঘিরে ধরে;
বিষাদ, বিষাদ, বিষাদে দৃষ্টি ভরে।
--- পাই চু-য়িঃ দুরের মানুষকে; চাইনিজ কবি।
৭.
আলকিত জানালার ধারে
কে বসে একাকী?
ছায়া আর আমি, শুধু আমরা দুজনে।
জ্বলে-জ্বলে দীপ নিভে যায়; অন্ধকার!
ছায়াও ছেড়ে যায় যে আমাকে।
হায় রে!
আমি হতভাগিনী!
--- লি ছিং-চাওঃ একাকী
৮.
ক.
স্রোতের জলে লেখার চেয়ে
একটামাত্র আছে বাতুলতা,-
সেটা কেবল তারি কথাই ভাবা,-
ভাবে না যে জন্মে আমার কথা।
খ.
কী আছে এমন প্রেয়সী, তোমার
প্রণয়ের দিব কী প্রতিদান।
প্রাণের মূল্য কী আছে? নহিলে
হাসিমুখে, সখি, দিতেম প্রাণ।
--- জাপানী; কবি অজ্ঞাত।
৯.
তোমার ছবির ধ্যানে, প্রিয়,
দৃষ্টি আমার পলক-হারা।
তোমার ঘরে যাওয়ার যে-পথ
পা চলে না সে-পথ ছাড়া।
হায়, দুনিয়ায় সবার চোখে
নিদ্রা নামে দিব্য সুখে,
আমার চোখেই নেই কি গো ঘুম,
দগ্ধ হলো নয়ন-তারা
--- হাফিজঃ রুবাইয়াৎ; ফারসী বিখ্যাত কবি।
---------------------
বহুত হইছে; হাত ব্যথা করতেছে! :P
Wednesday, September 16, 2009
বিদায়!
সিগারেট ছেড়ে দিচ্ছি। Last সিগারেটটা টানলাম এইমাত্র!
একটা দুইটা করে খেতে খেতে নেশার দিকে চলে যাচ্ছিলাম। আজকে টেবিলে দেখি কয়েকদিনের মধ্যে ২টা প্যাকেট জমে গেছে! যদিও প্যাকেটগুলা একদম ভর্তি অবস্থায় আনিনি, তারপরেও। খারাপ লাগলো নিজের কাছেই। সিদ্ধান্ত নিলাম, আর না, যথেষ্ট হয়েছে; সে আমাকে খেয়ে ফেলার আগে আমি বরং ওকে খেয়ে ফেলি!
It's the high time to control.
Best of Luck!
একটা দুইটা করে খেতে খেতে নেশার দিকে চলে যাচ্ছিলাম। আজকে টেবিলে দেখি কয়েকদিনের মধ্যে ২টা প্যাকেট জমে গেছে! যদিও প্যাকেটগুলা একদম ভর্তি অবস্থায় আনিনি, তারপরেও। খারাপ লাগলো নিজের কাছেই। সিদ্ধান্ত নিলাম, আর না, যথেষ্ট হয়েছে; সে আমাকে খেয়ে ফেলার আগে আমি বরং ওকে খেয়ে ফেলি!
It's the high time to control.
Best of Luck!
Friday, September 11, 2009
হায়! সময়টা যদি থেমে থাকতো!
গতকাল বাঁধন এর বিভিন্ন সময়ের তোলা ছবিগুলো দেখছিলাম। মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল। ছেলেপেলেগুলা এখন অনেক বড় হয়ে গেছে! আশিষ দা, হাসান, রাজু, মঞ্জুর, নিশাদ, শাতিল....আরও কত নাম.....যাদের সঙ্গে থাকলে সময় কোনদিক দিয়ে যায় টেরই পাওয়া যায় না......... সেই সবাই এখন অনেক বড়! বুয়েটের কুমিল্লার সেই প্রথম পিকনিক এর ছবিগুলা দেখছিলাম একটা একটা করে, আর একটু একটু করে মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। Luncheon এর সেই কথাটা খেয়াল পরে গেল আবার; How time does fly! আর আমরা সবাইও সময়ের সঙ্গে তাল দিয়ে যেন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ! এক একটি দিন পার করছি আর পিছনে রেখে যাচ্ছি তার স্মৃতি।
মোটামুটি নিয়মিত দেখা সাক্ষাত হওয়ায় পরিবর্তনটা ঠিক বুঝতে পারিনি, বুঝতে পারিনি যে মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেছে, কেউই আর আগের মত নেই!
মনের মধ্যে সূক্ষ একটা আশা ছিল, সবাই এখনও আগের সেই পিচ্চি পোলাপানই রয়ে গেছে! কিন্তু ইদানিংকার ছবিগুলা দেখে ভুল ভাঙলো; না, সময় আমার মত অলস বসে নেই, তার কাজ সে ঠিকই করে যাচ্ছে!
খারাপ, খুব খারাপ।
:(
বার্ড এর পিকনিক, মধুপুর এর পিকনিক, মৌলভিবাজারে ঢাবির পিকনিক, বুয়েটের বিভিন্ন বছরের ইফতার, এজিএম, কক্সবাজার টুর, সিলেট টুর ...... কত প্রোগ্রাম, কত মুখ, কত ছবি, কত স্মৃতি!
মোটামুটি নিয়মিত দেখা সাক্ষাত হওয়ায় পরিবর্তনটা ঠিক বুঝতে পারিনি, বুঝতে পারিনি যে মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেছে, কেউই আর আগের মত নেই!
মনের মধ্যে সূক্ষ একটা আশা ছিল, সবাই এখনও আগের সেই পিচ্চি পোলাপানই রয়ে গেছে! কিন্তু ইদানিংকার ছবিগুলা দেখে ভুল ভাঙলো; না, সময় আমার মত অলস বসে নেই, তার কাজ সে ঠিকই করে যাচ্ছে!
খারাপ, খুব খারাপ।
:(
Wednesday, September 9, 2009
জীবনের সবটুকু সুখ দেবো আমি তোমায়!
জীবনের সবটুকু সুখ দেবো আমি তোমায়
হৃদয়ের এক মুঠো প্রেম দিও তুমি আমায়
গোধুলি রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত ।।
খেয়ালী এই বাতাসে খুশির আলিঙ্গন
ভাবনার নীল আকাশে তোমার অন্তুরণ
গোধুলি রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত
মায়াবী দুটি চোখে তোমারি স্বপ্নঘোর
সারাক্ষন তোমায় নিয়ে থাকি যে বিভোর
গোধুলির রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত ।
... ... ...
ন্যান্সি আর টুটুলের এই গানটা খুব পছন্দ হয়েছে । বেশ ভালো লেগেছে। কাল বিকেল থেকে টানা শুনছি।
কয়েকদিন থেকে মিনার এর 'তুমি চাইলে বৃষ্টি' শুনছি; নতুন যোগ হলো এটা। :)
ধন্যবাদ জুয়েলকে; ও নামিয়েছে গানটা নেট থেকে কয়েকদিন আগে।
হৃদয়ের এক মুঠো প্রেম দিও তুমি আমায়
গোধুলি রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত ।।
খেয়ালী এই বাতাসে খুশির আলিঙ্গন
ভাবনার নীল আকাশে তোমার অন্তুরণ
গোধুলি রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত
মায়াবী দুটি চোখে তোমারি স্বপ্নঘোর
সারাক্ষন তোমায় নিয়ে থাকি যে বিভোর
গোধুলির রঙ্গে রঙ্গে আকা দিগন্ত
তুমি এলে প্রতিদিনই আসে বসন্ত ।
... ... ...
ন্যান্সি আর টুটুলের এই গানটা খুব পছন্দ হয়েছে । বেশ ভালো লেগেছে। কাল বিকেল থেকে টানা শুনছি।
কয়েকদিন থেকে মিনার এর 'তুমি চাইলে বৃষ্টি' শুনছি; নতুন যোগ হলো এটা। :)
ধন্যবাদ জুয়েলকে; ও নামিয়েছে গানটা নেট থেকে কয়েকদিন আগে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
